fbpx

IT Blog

ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য
Digital Marketing blog

ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

Table of Contents

##ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

ফেসবুক  এমন একটি নাম যেটা পৃথিবীতে শোনেনি এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনি এখানে মার্কেটিং করবে না তো কোথায় করবেন !!

কিন্তু আমরা ফেসবুকে মার্কেটিং করতে এসে সবাই জানি না যে, আমরা ঠিক কি করবো আর কি করবো না।  

আপনি কি জানেন, প্রতিদিন ফেসবুকে প্রায় ৪.৭৫ বিলিয়ন কন্টেন্ট শেয়ার হয় ?
কি ভাবছেন…!! একটু বেশি হয়ে গেছে…!! না এটা সত্যি, প্রতিদিন এত সংখ্যক কন্টেন্টই ফেইসবুকে শেয়ার হচ্ছে।



কিন্তু এত কন্টেন্ট বা ব্লগের ভিড়ে আপনার কন্টেন্টটি ফেইসবুক আপনাদের মাঝে কিভাবে পৌছে দেয় এটা কি আপনি জানেন…?

না জানাটাই স্বাভাবিক, বেশিভাগ ফেইসবুক মার্কেটারদের জন্য উপরোক্ত প্রশ্নটি অজানা। 

এই ব্লগটি পুরোপুরি পড়লে আপনি জানতে পারবেন যে, ফেজবুক আসলে এই কাজগুলো কিভাবে করে এবং আপনি জানতে পারবেন যে ফেসবুক মার্কেটিং এ আপনার ঠিক কি করনীয় এবং কি করনীয় না।

তাহলে আর আপনার সময় নস্ট না করে এবার মূল আলোচোনায় আসা যাক:

ফেসবুক মার্কেটিং বই (ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য)

ফেসবুকে আমরা অনেক ধরনের পোস্টই প্রোমোশন করে থাকি। সেই ক্ষেত্রে দেখা যার যে, তার ভিতর কিছু পোস্ট  আছে যাতে ভাল রেসপন্স পাওয়া যায়।  আর কিছু পোস্টে রেসপন্স আসে না। 


এতে  দেখা যায় যে, আমাদের ফেইবুক প্রোমোশনে প্রচুর টাকা খরচ করে ফেলি।

আপনি কি জানেন এটা কেনো হয়…? 

তাহলে আসুন জানি কিভাবে ফেসবুক কাজ করে। 

ফেসবুক এখানে একটি এলগরিদম ব্যবহার করে, ২০১১ সাল পর্যন্ত এইডজ_ র‍্যাংক এলগরিদম ব্যবহার করত ফেসবুক। Edge Rank আসলে তিনটি বিষয়ের উপর কাজ করতো। এগুলো হচ্ছে অ্যাফিনিটি, ওয়েট এবং টাইম ডিকে। 

 

অ্যাফিনিটি:

ফেসবুকের পোস্টের এঙ্গেজমেন্টের পুরো ব্যপারটা Affinity নির্নয় করতো । আপনার পোস্টে কতোটুকু এঙ্গেজমেন্টের পরিমান, এঙ্গেজমেন্টে এর ভিত্তিতে কতো লাইক, শেয়ার, কমেন্ট হয়েছে সেটার উপর ভিত্তি করে আপনার পোস্ট কতজনের নিউজফিডে শো হবে সেটা ফেসবুক নিয়ন্ত্রন করতো।

 

ওয়েট:

আপনি কি টাইপের বা কি ধরনের পোস্ট করছেন অথবা শেয়ার করছে সেটা এটার মাধ্যমে ফেসবুক নিয়ন্ত্রন করে। ফেসবুক ভিডিও, ছবি ও কন্টেন্টকে আলাদা আলাদা ভাবে ট্রিট করে। এর মাধ্যমেই আপনার পোস্টের সাথে মিল রেখে একই ধরনের পোস্ট আপনার নিউজফিডে  আসে এবং অন্যের কাছে পৌছে যায়।



টাইম ডিকে:

ফেসবুকে আপনার  পোস্টটি কতো পুরোনো সেটি এর মাধ্যমে নির্নয় করা হয়। পোস্ট যতো পুরানো হবে, রিচ ততো কম হবে। 

তবে এঙ্গেজমেন্ট পেলে রিচ বাড়বে। 

২০১৩ সালে এসে Edge Rank ফেইসবুক বন্ধ করে দেয় এবং Machine Learning এলগরিদম ব্যবহার করা শুরু করে। 

 

ম্যাশিন লার্নিং:(ফেসবুক মার্কেটিং বই )

 

ম্যাশিন লার্নিং এমন একটি সফটওয়্যার যে অপারেটরের ধরন বুঝে নিজে নিজে কাজ শেখে। এবং অপারেটরকে গাইড করা বা সাজেস্ট করাই মূলত ম্যাশিন লার্নিং এর কাজ।  

আপনি যত সফটওয়্যারকে যত ব্যাবহার করবেন ততোই সফটওয়্যার আপনার কাছ থেকে শিখবে। 

তাই এই এলগরিদম থেকে ভাল ফলাফল পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই সফটওয়্যারটির একটিভ ইউজার হয়ে উঠতে হবে।

এই এলগরিদমের মাধ্যমে ফেসবুক ৪টি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে আপনার প্রতিটি পোস্টে ranking করে।

 

এই ৪টি বিষয় হচ্ছেঃফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

  ইনভেন্টরি, সিগন্যাল, প্রেডিকশন , স্কোর 


ইনভেন্টরি: আপনার নিউজফিডে দেখার মতো কতোগুলো পোস্ট আছে সেটা এটি দেখায়। 

সিগন্যাল: কি ধরনের পোস্ট, পোস্টটি কে করেছে ,কতো বয়স এগুলো নিয়ন্ত্রন করে।

প্রেডিকশন: পোস্টে কতজন রিঅ্যাকশন করতে পারে, কি ধরনের রিঅ্যাকশন, কতজন পজিটিভ বা নেগেটিভ রিঅ্যাকশন করতে পারে অথবা করেছে সেটি নিয়ন্ত্রন করাই এটির কাজ।

স্কোর:

ফেসবুকে জুকারবার্গ যেটি বলেছন এই মডেল নিয়ে যে, “অর্থবহ প্রতিক্রিয়াগুলো অধিক গুরুত্বপূর্ণ”। 

এখানে অর্থবহ দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কি ধরনের পোস্টগুলো পছন্দ করছে এবং সেটি বোঝা যাবে যখন কেউ লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট করবে।

এই মডেলের সব চেয়ে মজার ব্যপার হচ্ছে  যে, ফেসবুকে কেউ সুখবর জাতীয় খবর যেমন সেটা হতে পারে কারোর জন্মদিন অথবা চাকরি অথবা বিয়ের খবর,  এই পোস্ট গুলো দেখতে কারোর মিস হয় না।

এর কারন হচ্ছে ফেজবুক ধরনের পোস্ট গুলোকে হাই র‍্যাংকিং করে রাখে। যার কারনে সব ফ্রেন্ডের নিউজফিডে চলে যায়। 

 

এই ৪টি বিষয়ের ভিতর মার্কেটাররা শুধু সিগনাল কে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে। 

 

সিগনাল কে আবার ২টি বিষয়ে ভাগ করা হয়েছে। 

  • একটিভ  সিগনাল
  • প্যাসিভ সিগনাল

একটিভ সিগনাল হলো লাইক, কমেন্ট, শেয়ার বা অন্যান্য active events যা পোস্টের পজিটিভ/নেগেটিভ এনগেজমেন্ট নির্দেশ করে।
প্যাসিভ সিগনাল এ আমরা যা দেখতে পারিঃ  পোস্টিং টাইম, পোস্টের ধরণ, পোস্টের ভিউ (Post View) ইত্যাদি ।

ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য সম্পর্কে জানা গেল, এবারের পর্ব হচ্ছে মার্কেটিং করতে এসে কি করবেন আর কি করবেন নাঃ

 

উপরোক্ত নিয়মাবলি মেনে চললেই আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ একজন সফল  মার্কেটার হতে পারেন ।

১০টি দারুণ ফেসবুক মার্কেটিং টুলস্ (ব্যবহার করুন ফ্রিতে)।। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

#ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

#ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

#ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

#ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য

2 thoughts on “ফেসবুক মার্কেটিং এর গুপ্তরহস্য”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *