fbpx

IT Blog

স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া
Business Idea

জীবন বদলে দেয়া ১০টি স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

Table of Contents

##১০টি স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

 গরুর খামার – বড় জোর এক-দুই লাখ টাকা মেনেজ করতে পারবেন ? ভাবছেন এতো অল্প পুঁজি দিয়ে কিভাবে কি ব্যবসা করবেন ? কিভাবেই বা দ্রুততম সময়ে ধারের টাকা শোধ করে দিবেন ?

তাহলে গরুর খামারই হতে পারে আপনার সব প্রশ্নের একমাত্র উত্তর । মাত্র ৩-৪ টা গরু মাত্র ১-২ লাখ টাকায় কিনে খামার শুরু করে দিন । দেখবেন মাসখানেক পর থেকেই লাভ পেতে শুরু করবেন ।

কিন্তু ব্যবসা শুরুর আগে যেসব ব্যাপার অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে ঃ



ক) প্রথমেই গরুর খামার আছে এমন কারো খামারে গিয়ে নিজ চোখে বিস্তারিত দেখে এবং শুনে আসুন । এসব ক্ষেত্রে যেকোন খামারিই আপনাকে সাহায্য করবে ।

খ) নিজের ব্যবসার জন্যে খরচ কম হবে এমন একটি জায়গা খুঁজে বের করুন । সাধারণত এসব ক্ষেত্রে গ্রামের পরিবেশটাই উপযুক্ত । কিন্তু সেক্ষেত্রে যাতায়াত ব্যবস্থা ভাল হতে হবে ।

গ) গরু কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে । সুস্থ, সবল গরু কিনতে হবে । আর বছরের বিশেষ কিছু সময়ে গরুর দাম খানিকটা কম থাকে । সুযোগ বুঝে খানিকটা বুদ্ধি করে সেই সময়ে উপযুক্ত গরুটিকে কিনে ফেলতে হবে ।  শুরুতে ৩-৪ টা গরুতে বেশ লাভজনক ব্যবসা শুরু করা যায় ।

কিন্তু ভাবছেন , সব তো হলো কিন্তু লাভটা আসবে কিভাবে ?

প্রথমত, গরুর দুধ বিক্রি করা যাবে প্রতিদিন । যা থেকে খামারের দৈনন্দিন খরচ উঠে যাবে । কিন্তু এসব ক্ষেত্রে চেষ্টা করবেন প্রাণ,মিল্ক-ভিটার মতো কোন ভাল কোম্পানী কিংবা মিনা বাজার, স্বপ্নের মতো কোন ডেইলি শপের সাথে চুক্তিতে দুধ বিক্রি করতে । এতে আপনার লাভ যেমন হবে , খামার বড় করার সুযোগও তৈরি হবে ।

দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন নার্সারিগুলো গাছের পরিচর্যার জন্য গোবর সংগ্রহ করে থাকে । এদের সাথে চুক্তি ভিত্তিক গোবর বিক্রি করেও প্রতিদিন বেশ ভাল অংকের মুনাফা অর্জন সম্ভব ।

তৃতীয়ত, কম দামে বাছুর কিনে ঈদ কিংবা বিশেষ মৌসুমগুলোতে সেটা অধিক দামে বিক্রি করেও আপনি বেশ মোটা অংকের মুনাফা অর্জন করতে পারেন ।

স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

হাঁসের খামার- বাড়িতে জায়গা-জমি আছে ? জমির পাশে পুকুর কিংবা জলাশয়ের ব্যবস্থা করতে পারবেন ? তাহলে চোখ বন্ধ করে মাসে ৫০-৬০ হাজার টাকা উপার্জন করা আপনার বাম হাতের খেল !

কিন্তু তাই বলে ভাববেন না শুধু একহাতেই কাজ চালিয়ে নিবেন । এই কাজের জন্যে আপনাকে হতে হবে পরিশ্রমি আর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ ।

বলতে গেলে সবচেয়ে কম ঝুঁকির এই ব্যবসা শুরু করতে হয় হাঁসের বাচ্চা কেনার মাধ্যমে । তবে অনেকে আবার ছোট বাচ্চার সাথে কিছু বড় হাঁসও কিনে নেন । এতে করে বাচ্চা পালন যেমন সহজ হয় , তেমনি খামারের শুরু থেকেই ডিম বিক্রি শুরু করা যায় ।

তবে এই ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটাই হচ্ছে , খাবার সংগ্রহ করা । হাঁসের বাচ্চার বৃদ্ধির সাথে সাথে বয়স ভেদে উপযুক্ত খাবার খাওয়ালেই কেবল আপনার কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়া সম্ভব । বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হাঁসের খাবার পাওয়া যায় । আপনার হাঁসের জন্যে উপযুক্ত খাবার বেছে নিয়ে নিয়মিত খাওয়ালেই আপনার ব্যবসায়িক সফলতা অর্জন শুধুই সময়ের ব্যাপার ।

স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

ছোট মুদি দোকান- মাত্র ৩০-৫০ হাজার টাকায় এই ব্যবসা শুরু করে খুব দ্রুত সময়ে ব্যবসাকে বড় করা যায় । কিন্তু এজন্যে আপনাকে অবশ্যিই কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে

টার্গেট কাস্টমারঃ কার কাছে কিংবা কোন এলাকার মানুষের কাছে আপনি আপনার পণ্য বিক্রি করতে চান তা আগে ভেবে বের করতে হবে ।

দোকান নির্বাচনঃ  পছন্দের এলাকায় ছোট পরিসরে একটা দোকান নিয়ে নেন । সেই এলাকার লোকের অর্থনৈতিক অবস্থা অনুমান করে দোকানে প্রয়োজনীয় মালামাল তুলুন ।

আরেকটু সহজ করে বলতে গেলে, ধরুন আপনি যদি এমন কোন এলাকায় দোকান নেন যেখানে ব্যাচেলর বাসা বেশি তাহলে আপনার দোকানে  ডিম , বিভিন্ন দামের চাল, সব প্রসাধনীর মিনিপ্যাক ইত্যাদির ভাল মুজুদ থাকতে হবে । আবার যদি , আবাসিক ফ্যামিলি এলাকায় দোকান করেন তাহলে বিভিন্ন প্রসাধনির ফ্যামিলি সাইজ , বিকেলের নাস্তার জন্যে প্রয়োজনীয় উপাদান কিংবা পোলাওয়ের চালের ভাল মজুদ থাকতে হবে ।

এক্ষেত্রে , আরো দুইটি সংযোজন এই ব্যবসায় আপনাকে সর্বোচ্চ সফলতা এনে দিবেঃ

ফ্রি হোম ডেলিভারিঃ মুদি দোকানের ব্যবসা সাধারণত নির্দিষ্ট এলাকা ভিত্তিক হয় । সেক্ষেত্রে সেই এলাকায় যদি ক্রয়কৃত মালামাল ফ্রিতে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা করতে পারেন এবং মোবাইলে অর্ডার নেয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন তবে আপনি ক্রেতা সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন খুব সহজেই । আর জানেন তো, ক্রেতা সন্তুষ্টিই ব্যবসা সফলতার মূল চাবিকাঠি ।



অন লাইন ভার্সনঃ  আপনার দোকান যত ছোটই হোক না কেন, আপনার দোকানের যদি একটা অনলাইন পেইজ থাকে যার মাধ্যমে আপনি ঐ এলাকার মানুষের সাথে কানেকটেড থাকেন ,তাহলে সেটা আপনার ব্যবসায়িক ইমেজ বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ । তাই মুদির দোকানের নামে একটা অনলাইন পেজ চালিয়েও আপনি আপনার বিক্রি বাড়াতে পারেন ।

স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

ফার্মেসী ব্যবসা- এই তালিকার সবচেয়ে লাভজনক এবং ঝুঁকিহীন ব্যবসা এটি 

মাত্র কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে খুব দ্রুত সময়ে এই ব্যবসায় সফলতা পাওয়া যায়ঃ

ধাপ ১– উপযুক্ত স্থান নির্বাচন ঃ এই ব্যবসার সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিকের আশপাশ । আপনি চাইলে কোন আবাসিক এলাকায়ও করতে পারেন । কিন্তু কোন শপিং মল যেখানে মানুষ কেনাকাটা করতে যায় কিংবা কাঁচাবাজার যেখানে মানুষের ওষুধ কেনার পরিকল্পনা থাকেনা , এমন জায়গায় ফার্মেসী দিলে আপনি নিশ্চিত লসের সম্মুখিন হবেন ।

ধাপ ২ – লাইসেন্সঃ ফার্মেসি দিতে হলে আপনার ফার্মেসীর বিস্তারিত উল্লেখ করে লাইসেন্সের জন্যে আবেদন করতে হয়। লাইসেন্স ছাড়া এই ব্যবসা করা যায় না ।তাই ব্যবসার শুরুতেই লাইসেন্স করে ব্যবসার বৈধতা নিশ্চিত করুন ।

ধাপ ৩ – মূলধনঃ ভাবছেন এই ব্যবসায় তো অনেক টাকা প্রয়োজন । কিন্তু টাকা নেই আপনার । সমস্যা নেই । মাত্র লাখখানিক টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করে , বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির সাথে চুক্তিতে মালামাল কিনেও এই ব্যবসা চালানো যায় ।

স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

অনলাইন শপ- যাদের সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই তাদের জন্যেই আসলে এই ব্যবসা । আপনি ব্যবসার টুকিটাকি ভালই বুঝেন কিন্তু মুলধন বলতে ঐ পকেট মানি বাঁচিয়ে জমানো ১৫-২০ হাজার টাকা । তাহলে আপনার জন্যেই এই ব্যবসা ।

শুরুর অবস্থায় এই ব্যবসার মূল টাকাটাই বিনিয়োগ করতে হয় আপনার ই-কমার্স সাইট ডেভেলপমেন্ট । আপনার সাইটটাই কিন্তু আপনার দোকান । আর দোকান যত সুন্দর , ব্যবসা তত সফল । তাই যতটা পারুন শুরুতে অধিকাংশ টাকা সাইটের পেছনে খরচ করুন ।

কি ভাবছেন ? সব খরচ এখানে করে ফেললে মালামাল কিভাবে কিনবেন ?

শুরুতে বলতে গেলে ,মালামাল না কিনেও আপনি আপনার অনলাইন শপটি চালাতে পারবেন । এজন্যে বিভিন্ন পণ্যের পাইকারি বিক্রির সোর্স আপনাকে জানতে হবে ।

ধরুন, শীতকালে কম্বল বিক্রি করবেন । এজন্যে সাইটে কম্বলের ছবি আপলোড করবেন যার পাইকারি মূল্য এবং কোথায় পাওয়া যায় তা আপনার জানা থাকতে হবে । এরপর যখনই কোন অর্ডার পাবেন আপনি দ্রুততম সময়ে তা পাইকারি কিনে এনে খুচরা মূল্যে বিক্রি করে মূল টাকাসহ মুনাফা তুলে নেবেন ।

এভাবে ধীরে ধীরে কিছুদিন ব্যবসা বুঝে নিয়ে অন্যান্য সোর্স থেকে টাকা সংগ্রহ করে যত ইনভেস্ট করবেন, তত মুনাফা আসবে ।

তবে এই ব্যবসা শুরুর পর থেকে দুটো বিষয় অবশ্যই মেইনটেইন করতে হবে

ক) এই ব্যবসায় আপনার নেটওয়ার্ক যত বাড়বে ব্যবসার সফলতা তত বেশি আসবে ।

খ) আপনার সাইট প্রতিনিয়ত আপডেট করতে হবে এবং পণ্যের সোর্স ক্রমশ বাড়াতে হবে ।

বাংলাদেশে এই ব্যবসা অনেকে শুরু করেও শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় মেনেজমেন্ট ও বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব এবং পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে না পারায় সফল হতে পারেনি । তাই এই ব্যাপারগুলোতে একটু সচেতন হলেই শুধুমাত্র নামেমাত্র ইনভেস্টমেন্টে অনলাইন ব্যবসায় ভাল মুনাফা অর্জন করা সম্ভব ।

‘গার্মেন্টস স্টক-লট ব্যবসা’ – আপনি যদি পরিশ্রমী  আর সৎ হোন তবে এই ব্যবসায় সফলতা অর্জন করা আপনার জন্যে সহজ ।

এই ব্যবসায় মূলঃত কোন গার্মেন্টস থেকে একসাথে অনেকগুলো টি-শার্ট জাতীয় কাপর কিনতে হয় (লট) । পরে তা আবার পার পিসে খুব কম মুনাফায় অন্য একজনের কাছে বিক্রি করে দিতে হয় । কিন্তু এই কম মুনাফাতেই বারবার বিক্রির মাধ্যমে আপনার কাঙ্ক্ষিত মুনাফাটি অর্জন হয়ে যাবে।

সেক্ষেত্রে, শুরুতেই আপনার নিজের ‘বায়ার’ খুঁজে বের করতে হবে যে আপনার কাছ থেকে নিয়মিত লট কিনে নিবে । বিদেশী বায়ার মেনেজ করতে পারলে এই ব্যবসায় বেশি মুনাফা পাওয়া যায় । অনেক সময় বায়ার নিজে আপনাকে অগ্রিম টাকা দিয়ে লট কিনে নেবে। এসব ক্ষেত্রে আপনি শুধু একজন মিডিয়া হিসেবেই ভাল অংকের টাকা আয় করতে পারবেন ।

আরেকটি ব্যাপারে আপনার দক্ষতা থাকতে হবে আর তা হচ্ছে ‘কানেকটিভিটি’ । এই ব্যবসায় আপনাকে যেমন আপনার বায়ার মেনেজ করে চলতে হবে । একই সাথে যে গার্মেন্টস থেকে লট কিনবেন সেখানেও নিয়মিত আপডেট রাখতে হবে। তবেই আপনি দ্রুততম সময়ে সফলতা পাবেন।



এই কাজ পার্ট-টাইম করা যায় ,তাই ছাত্র অবস্থা থেকেই এই কাজে আপনি নিয়োজিত হতে পারেন।

ইনসুরেন্স এজেন্টঃ  বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংকের চেয়ে বেশি আছে ইনসুরেন্স কোম্পানি । এই কোম্পানিগুলোতে এজেন্ট হিসেবে আপনি চাইলেই মাসে মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে এসব ইনসুরেন্সে চাকরী করতে হবে না।

আপনার কাজ হবে ক্লাইন্ট খুঁজে বের করা। বাকিটা ইনসুরেন্স কোম্পানী নিজেই করে নেবে।

এই ধরনের কাজ কমিশন বেইসড হয় তাই মাসে লক্ষাধিক টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা যায় । আপনি চাইলে একসাথে এখাধিক কম্পানির এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতে পারবেন ।

ইউটিউবার- ভার্চুয়াল এ জগতে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা আর টাকা উপার্জনের সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে এই ইউটিউব ।

বিনা পুঁজির এই ব্যবসা শুরু করতে চাইলে প্রথমে আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেলের প্রয়োজন হবে। এই চ্যানেল করা এবং কনটেন্ট আপলোড করা যায় বিনা খরচে।

নিয়মিত কাজ করে , নিয়মিত পরকল্পনা করে কনটেন্ট আপলোড করতে থাকলে ১০ হাজার লাইফটাইম ভিউ হলেই আপনার একাউন্টে ‘এড সেন্স’ যুক্ত হবে ।

ব্যাস ! এরপর আর আপনাকে পিছু ফিরে তাকাতে হবে না। আপনার চ্যানেলের এড থেকেই আপনি মাসে হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন নিমিষেই ।

এজন্যে যে বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল করতে হবেঃ 

  • নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে ।
  • কাজটিকে প্রফেশনালি নিতে হবে ।
  • দর্শকের রুচি এবং চাহিদা অনুযায়ী ভিডিও তৈরি করতে হবে ।
  • ভিডিও কোয়ালিটি অবশ্যই ভাল হতে হবে ।

স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়াঃ

খেলনার ব্যবসা- বর্তমান বাজারে খেলনার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে । আধুনিক সময়ে বাবা-মা’র ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় তারা বাচ্চাদেরকে শান্ত রাখার জন্যে খেলনাটাকেই বেছে নেন । আর এটাই আপনার ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে ।

আপনি যে এলাকায় ব্যবসা করবেন সে এলাকার লোকের চাহিদা অনুযায়ী দেশি-বিদেশি খেলনা বিক্রি করতে পারেন ।

বিদেশি খেলনাগুলো সাধারণত চায়না থেকে আনা হয়। অনেক এজেন্সি চায়না থেকে পাইকারি মূল্যে এসব সরবরাহ করে থাকে । আর দেশি খেলনা সংগ্রহ করতে চায়লে আপনাকে চকবাজার, গুলিস্থান আর নারায়ণগঞ্জ এলাকায় ঢুঁ মেরে আসতে হবে ।

ফুড কার্টঃ  তরুণ প্রজন্মের কাছে আরেকটি নতুন কিন্তু জনপ্রিয় ব্যবসা হচ্ছে ‘ফুড কার্ট’ । সাধারণত কোন ছোট পিক-আপ অথবা ভ্যান গাড়িতে এই খাবারের দোকানগুলো করা হয়।

সেক্ষেত্রে , আপনি চাইলে রুটিন করে একেক দিন একেক জায়গায় আপনার দোকানটি বসাতে পারেন। এজন্যে আপনাকে কোন লাইনেন্স করতে হবে না ।


তবে এসব ক্ষেত্রে যে ব্যাপারগুলো আপনার ব্যবসার টনিক হয়ে কাজ করতে পারে

  • ফুড কার্টে এমন খাবার বিক্রি করুন যার দাম খুব বেশি নয় ।
  • খুব কমন ফুড মেন্যু তৈরি করুন ।
  • ৩০-৫০ টাকার নিচে কোন খাবার বিক্রি করবেন না ।
  • কোথায় কখন দোকান বসাবেন এই ব্যাপারে এনালাইসিস করে সিদ্ধান্ত নিন।
  • খাবারের কাঁচামাল কেনার সময় মিতব্যায়ী হোন ।
  • খাবার পরিবেশনায় ভিন্নতা আনুন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন ।
  • ফুড কার্টের ফেসবুক পেইজ লিংক দিয়ে ইম্প্রেশন বাড়ানোর চেষ্টা করুন ।

তাহলেই খুব অল্প সময়ে আপনার ব্যবসা প্রসারিত হবে এবং স্বল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হবেন ।

#স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া

পরবর্তি ব্লগঃ কেন ফেসবুক পেজের পরিবর্তে ই-কমার্স সাইট বেছে নেবেন ?

 

2 thoughts on “জীবন বদলে দেয়া ১০টি স্বল্প পুঁজির ব্যবসার আইডিয়া”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *